Skip to main content

বিনা খরচে HSC এর পর বাংলাদেশ থেকে জার্মানিতে চিকিৎসা বিজ্ঞানে পড়াশোনা

The many facets of rising healthcare costs in Singapore


জার্মানিতে মোট ৩৬ টি মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। আমাদের দেশে M.B.B.S. ডিগ্রীকে জার্মানিতে M.D. (Doctor of Medicines) বলা হয়ে থাকে। বিনা খরচে পড়াশোনা ও বিশ্বমানের শিক্ষা, পৃথিবীতে অন্যতম সেরা চিকিৎসা ব্যবস্থা ও নতুন নতুন গবেষণার জন্য অনেকেই চিকিৎসা বিজ্ঞানে পড়াশোনার জন্য জার্মানিকে বেছে নেয়। এই কোর্স সাধারনণত ৬ বছর ৩ মাস মেয়াদি হয়। জার্মানিতে চিকিৎসাখাতে বর্তমানে প্রচুর দক্ষ জনবল দরকার। জার্মানিতে চিকিৎসকরা গড়ে অন্য যে কোনও একাডেমিক শাখার স্নাতকদের (Gradu চেয়ে বেশি বেতনে কাজ করেন। ক্যারিয়ারের শুরুতেই একজন ডাক্তার গড়ে বছরে ৫২,০০০€ আয় করেন যা সময়ের সাথে সাথে অনেকগুণ বৃদ্ধি পেতে পারে। (Source: Make it in Germany)

Entry Requirement/ নূন্যতম যোগ্যতাঃ


👉HSC+ Studienkollegs+ জার্মান ভাষার স্তর C1/ C2 Level+ Festellungsprüfung Test (University Entrance exam)= Medical university in Germany
(সহজে বোঝার জন্য Bangladesh থেকে ছাত্র/ ছাত্রীদের জন্য ধাপে ধাপে দেয়া আছে)

(Studienkollegs এ পড়তে চাইলে কিছু ক্ষেত্রে German language level B1/ B2 থাকলে ভর্তি হওয়া যায় তবে এটা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর নির্ভর করে)


প্রথমেই বলে নিই যে, জার্মানিতে মেডিকেল জার্মান ভাষায় পড়তে হবে। শুধু HSC দিয়ে জার্মানিতে মেডিকেল পড়া যায় না। সেজন্য জার্মানিতে এক বছরের ফাউন্ডেশন কোর্স জার্মানিতে করতে হবে যেটাকে StudienKollegs বলে। তবে, এই কোর্সে ভর্তির জন্য আপনাকে StudienKolleg এর "M" কোর্সকে বেছে নিতে হবে। এই কোর্স ২ সেমিস্টার বা ১ বছর মেয়াদি। অনেক ক্ষেত্রে Studienkollegs এর কোর্সগুলোতে টিউশন ফি থাকতে পারে, তাই সবসময় এই বিষয়গুলো আপনার চাহিদা অনুযায়ী দেখে নেয়া উচিত।

Studienkollegs এ ডাক্তারি পড়ার ফাউন্ডেশন কোর্স খুঁজতে, এখানে ক্লিক করুন, 

ছবিঃ "Studienkollegs" ওয়েবসাইটে যেভাবে "M" চিহ্নিত কোর্স খুঁজবেন।


বাংলাদেশের যে কোনো মেডিকেল কলেজ থেকেও ২৫% কোর্স সম্পন্ন করে 
(কিছু ক্ষেত্রে সময়কাল ভিন্নও হতে পারে; যেমনঃ ২ বছর) আবেদন করা গেলেও সেই ব্যাপারটা জটিল এবং কিছু বিশ্ববিদ্যালয় সেই ফলাফল গ্রহণ নাও করতে পারে কিংবা ভিন্ন চাহিদা থাকতে পারে। আমার মতে, দেশে যারা চিকিৎসা বিজ্ঞানে পড়াশোনার সুযোগ পাবেন তাদের উচিত পড়াশোনার পাশাপাশি জার্মান ভাষার চর্চা চালিয়ে যাওয়া। কারণ, ২০১২ সালের এপ্রিলে সিদ্ধান্ত নেয়া হয় যে যারা EU/ non EU (Third country) থেকে ডাক্তারি পড়াশোনার ডিগ্রী থাকবে তারা কিছু শর্ত পূরণ করে জার্মানিতে ডাক্তারিকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করতে পারবেন। কিছু পরীক্ষা প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে আপনিও সেখানে ডাক্তারি পেশা চালিয়ে যেতে পারবেন যা অনেক ভারতীয়/ পাকিস্তানি/ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর ডাক্তার করে দেখিয়েছেন। এই বিষয়ে বিস্তারিত পোস্ট পেতে চাইলে কমেন্ট করুন কারণ এই ব্লগ জনপ্রিয় না। তাছাড়া যে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে চান সেখানের কো-অর্ডিনেটর/ স্টুডেন্ট অফিসে ইমেইল করাই উত্তম। কিছু ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় ৩/ ৬ মাস মেয়াদি ইন্টার্নশিপ চাইতে পারে। তাছাড়া তাদের নিজস্ব পরীক্ষা প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হতে পারে। সেটা সম্পূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর নির্ভর করে।


আপনাকে Studienkollegs এ ভর্তির জন্য Aufnahmeprüfung যাকে বাংলায় প্রাবেশিক পরিক্ষা বা ইংরেজিতে Entrance Exam দিতে হবে। তারপর, ১ বছরের কোর্স শেষ করে চুড়ান্ত পরীক্ষা (Final Exam) বা Festellungsprufüng এ পাশ করতে পারলেই বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন শুরু করতে পারবেন। সর্বশেষে  ডাক্তারি পড়াশোনা শেষে পেশাদার ডাক্তার হিসেবে কর্মজীবনে পদার্পণ করতে স্টেট এক্সাম (State exam) দিতে হয় এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের অনুমতি নিতে হবে। প্রথমে, আপনি  জার্মানির যে স্টেট থেকে লাইসেন্স নেবেন সেখানেই একটা নিদির্ষ্ট সময় পর্যন্ত সেই প্রদেশে  (জার্মানিতে মোট ১৬ টি প্রদেশ) প্র্যাকটিস করতে পারবেন। তারপর পুরো জার্মানি কিংবা রিকোয়ারমেন্ট পূর্ণ করে অন্য ইউরোপীয়ান দেশেও ডাক্তারী করতে পারবেন।





বিশেষভাবে খেয়াল রাখা উচিতঃ
  • জার্মানিতে মেডিকেলে পড়াশোনা সম্পুর্ণ জার্মান ভাষায় যাতে অনেকেই আগ্রহ হারিয়ে ফেলতে পারে।
  • সময়সাপেক্ষ, যথেষ্ট প্রতিযোগিতার সম্মুখিন হতে হয়। 
  • সম্ভব হলে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ইন্টার্নশিপ করে রাখা ভালো।
  • টিউশন ফি না থাকলে প্রতি সেমিস্টার (৬ মাস) ১০০- ৪০০ ইউরো Semester contribution হিসেবে দিতে হবে।
  • DAAD বা অন্য কোনো সংস্থা এখনও স্কলারশিপ / বৃত্তি দেয় না, তবে টিউশন ফি না থাকায় সমস্যা হয় না।
  • এই কোর্সেও স্টুডেন্ট ভিসার ক্ষেত্রেও ব্লক একাউন্টে ১ বছরের জন্য ১০২৩৬ ইউরো রাখতে হবে।

    কোন প্রশ্ন/ অনুরোধ/ সংশোধনের প্রয়োজন হলে ওয়েবসাইটের কন্টাক্ট ফর্মে অথবা আমার ফেসবুকে লিখুন।


Comments

Popular posts from this blog

নতুন নিয়মে Goethe Institut- Dhaka তে যেভাবে অনলাইনে কোর্স Enrollment process করবেন

২৮ শে আগস্ট ২০২০ থেকে জার্মান A1 লেভেলের কোর্স শুরু হতে যাচ্ছে। এবারের কোর্স রেজিস্ট্রেশন কিছুটা ভিন্ন হতে চলেছে। অনেকেই সকাল এমনকি ভোর ৩ টা থেকেও Goethe Institut- Dhaka তে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকে যা অনেক ক্ষেত্রে নিরাপত্তার ইস্যু করতে পারে। তাই তারা এই সেশন থেকে Enrollment system অনলাইনে আনছে। এটি first‐come, first‐served basis এ হবে । এখানে Enrollment process নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করা হবে। উল্লেখ্য এখন করোনার জন্য অনলাইনে ক্লাস হচ্ছে, তাই সব কোর্সে ১০% ছাড় দেয়া হচ্ছে। এখন Start Deutsch A1 (German A1) এর ফি ২০,৭০০/= টাকা মাত্র। পূর্বে যা ২৩,০০০ ছিলো। ⚠️ Registration ১৪ জুন, ২০২০ সকাল ৯ টায় থেকে চালু হবে যার সময়সীমা ১৬ জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৫ টা পর্যন্ত থাকবে। ⚠️ আবেদনগুলি সময়সীমার মধ্যেই প্রেরণ করতে হবে। নতুবা আবেদনপত্র গ্রহণযোগ্য হবে না। আবেদনের পর Confirmation E-mail এ আরও নির্দেশাবলী দেওয়া হবে। 👣 Enrollment Steps/ ধাপসমূহঃ ১. আবেদন ফর্মটি পূরণ করতে হবে। একে Electronically / কম্পিউটার থেকেই পূরণ করতে হবে। যেকোনো পিডিএফ এডিটর দিয়ে সহজেই একে পূরণ করা যাবে। নিচে ছবি দেওয়া হলো। ফর্ম ডা...

দূতাবাসের সিদ্ধান্ত/ Visa Rejection হলে যেভাবে আপিল/ Remonstration করবেন

আপনি যদি আপনার ভিসার সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট না হন তবে দূতাবাস আপনাকে আপিল বা Remonstrate (প্রতিবাদ) করার সুযোগ দেবেন। এর জন্য আপনি দূতাবাস নির্ধারিত কিছু সময় পাবেন Remonstrate বা আপিল করার জন্য। তাই, ভিসার সিদ্ধান্ত আপনার পক্ষে না গেলে কিংবা সন্তুষ্ট না হলে ভেঙ্গে পড়ার কিছু নেই। আপনি যদি নিজেকে সঠিক মনে করেন এবং এই সিদ্ধান্তকে অযৌক্তিক ভাবেন তবে আপিল করুন। এর জন্য কোনো উকিল বা আইনজীবির শরণাপন্ন না হওয়াই শ্রেয়। এতে অর্থ এবং সময় দুটোই বাঁচবে। আপিলের জন্য নির্দিষ্ট কোনো ধরাবাঁধা নিয়ম নেই। তারপরও আমি একটা নমুনা লেখার চেষ্টা করেছি। আপনাদের সুবিধার্থে আমি এই নমুনা/ ফরমেট দিয়েছে যে কিভাবে আপনি আপিল করতে পারবেন তা নিয়ে সংক্ষিপ্তভাবে আলোচনা করেছি। এরজন্য আপনাকে প্রথমেই একটি চিঠি লিখতে হবে। আপনি কি কারণে মনে করেন যে দূতাবাসের সিদ্ধান্ত অযৌক্তিক এবং পূর্নবিবেচনা করা উচিত। তবে চিঠিটি যতটা ছোট (২ পৃষ্ঠার মধ্যে লেখা ভালো) করে লেখা যায় ততটা ভালো। ছবিতে দেওয়া নমুনা অনুসারে প্রথমে আপনার ব্যাক্তিগত তথ্য দিতে হবে। পরের প্যারাগ্রাফে/ অংশে আপনার ভিসা কেনো বাতিল হয়েছে এবং আপনি বিশ্বাস করেন যে দূতাবাস কর...